সোমবার, ২৯ নভেম্বর ২০২১, ০৩:১৫ পূর্বাহ্ন

ঝিনাইদহ পৌরসভার দ্বায়িত্ব প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বুধবার, ২৪ নভেম্বর, ২০২১
  • ১০ বার পড়া হয়েছে

জেলা প্রতিনিধি, ঝিনাইদহ\ ২৪ নভেম্বর-

ঝিনাইদহ পৌরসভার দ্বায়িত্ব প্রশাসকের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। বুধবার (২৪ নভেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহ স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালক মন্ত্রনালয়ের নিয়োগপ্রাপ্ত প্রশাসকের কাছে দ্বায়িত্ব হস্তান্তর করেন মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু। নির্বাচিত পৌর মেয়রের মেয়াদ শেষ হওয়ার ৫ বছর ৭ মাস পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের আদেশে পৌরসভার দায়িত্ব গ্রহণ করেন স্থানীয় সরকার বিভাগের উপ-পরিচালক প্রশাসক ইয়ারুল ইসলাম।

সেসময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সেলিম রেজা ও পৌরসভার কাউন্সিলর ও সকল কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

নব-নিযুক্ত প্রশাসক ইয়ারুল ইসলাম জানান, ঝিনাইদহ পৌর সভার মেয়র দেশ সেরা মেয়র হিসেবে ক্ষেতি লাভ করেছেন। তিনি একজন মানবিক মেয়র হিসেবে ইতিমধ্যে ঝিনাইদহ পৌর বাসির কাছে পরিচিতি লাভ করেছেন। ঝিনাইদহ পৌরসভার সর্বশেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ২০১১ সালের ১৩ মার্চ। নির্বাচনে নৌকা প্রতিকে মেয়র নির্বাচিত হন সাইদুল করিম মিন্টু। ২০১৬ সালের ২ এপ্রিল মেয়াদ শেষে পরবর্তী নির্বাচন হওয়ার হবার কথা ছিল।

কিন্তু সীমানা জটিলতা সংক্রান্ত মামলা চলমান থাকায় নির্বাচন বন্ধ ছিল। জটিলতা শেষ হওয়ায় পৌরসভার প্রশাসক নিয়োগ দিতে গত রোববার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের স্থানীয় সরকার বিভাগ পৌর-১ শাখার উপ-সচিব মোহাম্মদ ফারুক হোসেন এ সংক্রান্ত এক প্রজ্ঞাপনে স্বাক্ষর করেন। ওই প্রজ্ঞাপনে জেলা প্রশাসনের স্থানীয় সরকারের উপ-পরিচালককে প্রশাসক হিসাবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই নিয়োগের ৬ মাসের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

দায়িত্ব হস্তান্তরের সময় পৌর মেয়র সাইদুল করিম মিন্টু বলেন, আমি মেয়র হবার পরে, এই পৌর সভায় যে উন্নোয়ন হয়েছে তা দেশের কোথাও হয়নি। কারন দায়িত্ব ও কর্তব্য নিজের ভিতরে যদি ধারন না করা হয় তাহলে কোন কাজই আপনি করতে পারবেন না। আমি দায়িত্ব নেবার পরে আই.এস.ও সনদ পেয়েছি। যা আমার কোন ধারনাই ছিলো যে আই.এস.ও সনদ কি। তারা আমার কাজের স্বকৃতি স্বরুপ দিয়েছেন।

তিনি আরো বলেন, আমি নির্বাচিত হবার পরে উন্নয়নের ধারাবাহিকতা এখনো রক্ষা করে চলেছি। বাস্তবায়িত ১৯টি প্রকল্পের কাজ শেষ করেছি। পৌর এলকার ২৬ টি সড়ক সংস্কারের মাধ্যমে তার মানউন্নয়ন করেছি। ১২টি ড্রেন নির্মানের কাজ শেষ করেছি।

এছাড়াও স্মরণসভা, স্মারকগ্রস্থ, সম্মাননা, সংবর্ধনা, আয়োজক, পেশাভিত্তিক সহায়তা, আর্থিক সহায়তা ফান্ড গঠন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তানসহ প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের মাঝে ল্যাপটপ কম্পিউটার প্রদান, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সহয়তা প্রদান, সুইপার কলোনী স্কুল, পথশিশুদের জন্য শিক্ষা ব্যবস্থাসহ নাগরিক সুবিধাসহ নানা উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড তুলে ধরেন। বিদায়ের সময় পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারীদের সঠিকভাবে তাদের দ্বায়িত্ব পালনের আহŸান জানান তিনি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com