সোমবার, ১৮ অক্টোবর ২০২১, ০১:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন স্বরুপপুর  ইউপির আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী- মিজানুর রহমান  ঝিনাইদহে বিএমএসএফ’র ১৪ দফা নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা আহত প্রধান শিক্ষকের পাশে দাঁড়াতে গোপালগঞ্জে যাচ্ছেন শিক্ষক সমিতির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। মহেশপুরে বিএনপির ২ টি ইউনিয়নে দ্বিবার্ষিক সম্মেলণ অনুষ্ঠিত। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর  ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট.  হুমায়ন কবির  কে আবারও চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। ঝিনাইদহের মহেশপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জাহিদ হাসান লাঞ্চিত  মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়ন এর মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল হান্নান মহেশপুরে চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল হান্নানের গণসংযোগ রাতের প্রহরী অনুভূতি

“স্মৃতিচারণ”

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ৯ বার পড়া হয়েছে

“স্মৃতিচারণ”

দুই দিকে সমুদ্র অন্যদিকে মেঘনা বিধৌত সাগর দ্বীপ হাতিয়া। যুগে যুগে এই দ্বীপে জন্ম নিয়েছে বহু কালজয়ী মানুষের। কালজয়ী এই মানুষদের জন্যই একসময় এই দ্বীপটি “তিলোত্তমা হাতিয়া” নামে স্বীকৃতি পেয়েছে।
যে সকল মহান ব্যক্তি এই দ্বীপকে মহিমান্বিত করেছেন,
তাঁদের মধ্যে মরহুম আলহাজ্ব আফাজ মিয়া ও মরহুম আলহাজ্ব মফিজের রহমান মিয়া অন্যতম। তাহাদের জমিদারির কথা এখনো মানুষের মুখে-মুখে। হাতিয়ার সর্বাধিক সংখ্যক শিক্ষা ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা এই দুই ব্যাক্তি।
মরহুম আলহাজ্ব মফিজের রহমান মিয়ার নামেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল সুখচর মফিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়, মফিজিয়া প্রাথমিক বিদ্যালয়, মফিজিয়া স্বাস্থ্য কেন্দ্র, বহু মসজিদ, মক্তব, মফিজিয়া বাজার, ইত্যাদি।

মরহুম আলহাজ্ব মফিজের রহমান মিয়ার সন্তানদের মধ্যে মরহুম মাষ্টার নুর উদ্দিন মিয়া ছিলেন ৮ম সন্তান এবং হাতিয়ার একজন খ্যতিমান ব্যক্তিত্ব। ১৯৮১ সালের ২১ই সেপ্টেম্বরের এই দিনে ৫৩ বৎসর বয়সে মহাখালী বক্ষব্যাধী হাসপাতলে তাহার অকাল প্রয়াণ ঘটে। দুরারোগ্য ব্যধি তাহার জীবনকে দীর্ঘ হতে দেয়নি। কিন্তু এই অল্প জীবনেও তিনি ছিলেন সমুজ্জ্বল। তিনি মফিজিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন। মহান মুক্তিযুদ্ধে সুখচর ইউনিয়নের মুক্তিযুদ্ধাদের পৃষ্টপোষকতা করেছেন। উনার বড় ছেলে জনাব ফিরোজ খাঁন নূর দিলদার হাতিয়ার একজন বীর মুক্তিযোদ্ধা।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়ার আমলে গ্রাম সরকার প্রধান হয়েছিলেন। তাছাড়া তিনি ছিলেন হাতিয়ার বিভিন্ন আধুনিক ব্যবসা-বাণিজ্যের পথিকৃৎ। উনি ছিলেন খুবই সদালাপী ও পরোপকারী। আজ তাহার ৪০ তম মৃত্যু বার্ষিকী। খুব শ্রদ্ধাচিত্তে তাহার কথা মনে পড়ে।
তাহার সন্তানদের মধ্যে অনেকেই দেশ-বিদেশে প্রতিষ্ঠিত। তাহারাও পিতার স্মৃতি কে ধরে রাখার জন্য, “মাষ্টার নুর উদ্দিন ফাউন্ডেশন ” নামে একটি শিক্ষা ও মানব সেবামূলক সংগঠন প্রতিষ্ঠা করেন, যা আর্ত-মানবতার সেবায় নিয়োজিত। দরিদ্র শিক্ষার্থীদের শিক্ষা উপকরণ, মেধাবীদের বৃত্তি প্রদান সহ নানা সামাজিক কর্মকাণ্ডে উক্ত সংগঠনটি দীর্ঘদিন থেকে সহায়তা প্রদান করিয়া আসিতেছে। মসজিদ ও মাদ্রাসা র উন্নয়নে ও সহায়তা প্রদান করছেন।
আজকের এই দিনে আমরা আমাদের বৃহত্তর পরিবারের পক্ষ থেকে মরহুম মাষ্টার নূর উদ্দিন মিয়ার আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি। মহান আল্লাহ যেন উনাকে জান্নাতবাসী করেন।
(মোঃ রিয়াজ উদ্দিন রিয়াজ)

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com