বৃহস্পতিবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৫৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ “স্মৃতিচারণ” ২য় শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে,শিক্ষক পলাতক! মহেশপুরে ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে হত্যা ১৪/০৯/২০২১ তারিখ রাউজানে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় এর অভিযানে রাউজানে একাধিক মদের মামলার আসামী ১৫ লিটার মদ সহ গ্রেফতার ০১ জন, মামলা দায়েরঃ দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার কর্মপ্রচেষ্টায় প্রাণী সুরক্ষাসেবা কার্যক্রম। জীবননগরে ওষুধের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ !!! পাব কি ঠাঁই? সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার-ম্যাডাম’ বলার রীতি নেই প্রাথমিক বিদ্যালয় রিওপেনিং নিয়ে নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কৃর্তক আলোচনা

জীবননগরে ওষুধের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ !!!

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ৭ সেপ্টেম্বর, ২০২১
  • ১২ বার পড়া হয়েছে

 

মোঃ শুকুর আলী জীবননগর থেকে -চুয়াডাঙ্গার জীবননগর বাজারের মুক্তিযুদ্ধ রোড গ্রামীন টাওয়ার এর নিচতলা “মেসার্স খন্দকার মেডিকেল হল “এর মালিক আতিকুজ্জামান চঞ্চল।
একজন রোগী জানিয়েছে আতিকুজ্জামান চঞ্চল ওষুধের ন্যায্যমূল্যের চেয়েও বেশি দাম গ্রহণ করেছেন।
রোগী আরো জানিয়েছে গেল কয়েক দিন আগে তার মা ও তার মেয়ের কাছ থেকেও অভিনব কৌশলে ন্যায্যমূল্য ছাড়া বেশি টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।
এই ফার্মেসির মালিক আতিকুজ্জামান চঞ্চল আর.এম.পি কোর্স করা। কিন্তু তিনি উন্নত ডিগ্রিধারী না হলেও হার্ট এবং প্রেসারের রোগী দেখা থেকে জটিল ও কঠিন রোগের চিকিৎসা দিচ্ছেন।
অজানা রোগের নাম বলে ও রোগীদেরকে বিব্রত করছেন।
অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগী একজন মহিলা রুগী মোছাঃ আনোয়ারা খাতুন। তিনি জীবননগর উপজেলার গঙ্গাদাসপুর গ্রামের বাসিন্দা।
এ ফার্মেসিতে চিকিৎসা নেওয়া রোগীরা জানায় তাদের প্রেসক্রিপশনে আটকে রেখে ওষুধ নিতে বাধ্য করা হয়, এবং বলে দেওয়া হয় ওই ওষুধ বাইরে কোন ফার্মেসিতে পাওয়া যায় না।
অনেক রোগী প্রতারিত হয়ে তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ করতে সাহস পায় না,কোন অজানা রাজনৈতিক শক্তি তার পক্ষে কাজ করে।
ভুক্তভোগী রোগী জানায় আতিকুজ্জামান চঞ্চল এর কাছে যাওয়ার পরে,তিনি প্রথম দিন তার কোন ধরনের পরীক্ষা ছাড়াই ওষুধ লিখেন এবং প্রেসক্রিপশন রেখে ওষুধ নিতে বাধ্য করেন, দ্বিতীয় দিনে একই অবস্থা, তৃতীয় দিন প্রেসক্রিপশন রেখে ওষুধ দেন, ওষুধ দেওয়া হলে প্রেসক্রিপশন ফিরিয়ে দেন। রোগীর মনে সন্দেহ হলে ওই প্রেস্ক্রিপশন ও ওষুধ অন্য ফার্মেসি তে নিয়ে গিয়ে ওষুধের মূল্য যাচাই করেন।
এক পর্যায়ে দেখা যায় যে ২২১টাকা ৬০ পয়সার ওষুধ ৬০০টাকা নিয়েছে “মেসার্স খন্দকার মেডিকেল হল”।

নিয়ন্ত্রণহীন ওষুধের মূল্য বেশিরভাগ ফার্মেসীতে প্রতিনিয়ত এ ধরনের অভিযোগ থাকছেই , সেটা বলার অপেক্ষা রাখে না।
কিন্তু ওষুধের প্যাকেটে নির্ধারিত মূল্য থাকলেও সেটা অপেক্ষা করে তিন থেকে চার গুণ অর্থ গ্রহণ করে অসাধু কিছু ব্যবসায়ী, এদের বিরুদ্ধে আইনানুগ দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা নিলেই অনেক রোগীরা এই ধরনের সমস্যা থেকে পরিত্রাণ পাবে।
১০ ক্যাপসুল সেকলো (২০ মি.গ্রা)৬০টাকা, ৫ ট‍্যাবলেট মেথসোলন ৪ (মি.গ্রা.) ২৫ টাকা, ১০ ট‍্যাবলেট এ বি ১ (১০০মি.গ্রা.) ৮ টাকা ৬০পয়সা, ১০ট‍্যাবলেট পলিন‍্যাক (১০০মি.গ্রা) ৪০টাকা, ১০ ট‍্যাবলেট ক‍্যালেক (৩০০মি.গ্রা.) ৩ টাকা। ৫ ট‍্যাবলেট সিলভাস (৫ মি.গ্রা) ৩৫ টাকা। এবং ১পিস সিরাপ এ‍্যালকুলী (১০০ মি.লি) ৫০ টাকা। সর্বমোট ওষুধের বাজার মূল্য দাঁড়ায় ২২১ টাকা ৬০ পয়সা।
কিন্তু মেসার্স খন্দকার মেডিকেল হল৬০০ টাকা নিয়েছেন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com