রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৬:৪৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা বশির আহম্মেদ কে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের, সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার আর এক নাম  বশির আহম্মেদ। মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় আটক ১১ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ “স্মৃতিচারণ” ২য় শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে,শিক্ষক পলাতক! মহেশপুরে ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে হত্যা ১৪/০৯/২০২১ তারিখ রাউজানে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় এর অভিযানে রাউজানে একাধিক মদের মামলার আসামী ১৫ লিটার মদ সহ গ্রেফতার ০১ জন, মামলা দায়েরঃ দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার কর্মপ্রচেষ্টায় প্রাণী সুরক্ষাসেবা কার্যক্রম। জীবননগরে ওষুধের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ !!!

নাগরপুরে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে”গণহত্যা দিবস” পালিত;

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ২৬ অক্টোবর, ২০২০
  • ৯৪ বার পড়া হয়েছে

 

আতিকুর রহমান(আতিক),
টাঙ্গাইল প্রতিনিধিঃ টাঙ্গাইলের নাগরপুরে মহান মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের স্মরণে”গণহত্যা দিবস” পালিত হয়েছে।

গণহত্যা দি্স উপলক্ষে,২৫ অক্টোবর,রবিবার সকালে উপজেলার বনগ্রাম গণকবরে শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শহীদ স্মৃতি স্তম্ভে পুস্পস্তবক অর্পণ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় উপজেলা প্রশাসনের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন,সহকারী কমিশনার (ভুমি) তারিন মসরুর, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি রিয়াজ উদ্দিন তালুকদার, উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মো. হুমায়ুন কবীর, মুক্তিযোদ্ধা ও সাবেক কমান্ডার মো.সুজায়েত হোসেনসহ বিভিন্ন এলাকার মুক্তিযোদ্বা ও স্থানীয় ব্যক্তিবর্গ।

গয়হাটা ইউনিয়নে যমুনা নদীর শাখা নদী ধলেশ্বরীর পাড়ে এ বনগ্রামটির অবস্থান। ১৯৭১ সালের এই দিনে টাঙ্গাইলের নাগরপুরের এই গ্রামটিতে ব্যাপক ধ্বংস যজ্ঞ ও গণহত্যা চালায় পাকিস্থানী হানাদার বাহিনী।মুক্তিযুদ্ধে অংশগ্রহণকারী মুক্তিযোদ্ধাদের কাছ থেকে জানা যায়, ১৯৭১ সালের ২১ অক্টোবর বনগ্রাম প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মুক্তিযোদ্ধারা অবস্থান নিয়েছেন এমন সংবাদ পেয়ে সিরাজগঞ্জ থেকে গানবোট নিয়ে এসে পাক হানাদার বাহিনী বনগ্রাম আক্রমন করে।ফলে সেখানে তুমুল রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে পাকিস্তান হানাদার বাহিনীর একজন মেজরসহ ৩ জন নিহত হয়। আর মুক্তিযোদ্ধাদের পক্ষে শহীদ হন জেলার কালিহাতী উপজেলার নজরুল ইসলাম নজু, মুন্সিগঞ্জ জেলার গজারিয়া উপজেলার জাহাঙ্গীর আলম, আকতারুজ্জামান ও ওহাব আলীসহ ৭ জনসহ নাম না জানা অারো অনেকে। অবস্থা বেগতিক দেখে মুক্তিযোদ্ধারা পিছু হটে ও পাকিস্তান হানাদার বাহিনী স্ব স্ব ক্যাম্পে ফিরে যায়।

কিন্তু পরবর্তীতে পাক হানাদার বাহিনী ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে ২৫ অক্টোবর বনগ্রামে পুনরায় আক্রমন করে অগ্নিসংযোগ ও ব্যাপক গণহত্যা চালায়। আবাল, বৃদ্ধ, শিশু ও মহিলা,কৃষক,শ্রমিক কেউ রেহাই পায়নি পাকিস্তানী হায়েনাদের হাত থেকে, হত্যা করে ৫৭ জনকে এবং ১২৯টি বাড়িতে অগ্নি সংযোগ করে। পরে তাদেরকে একত্রে মাটি চাপা দেয়া হয়। স্বাধীনতার পরে ঐ স্থানটিকে বনগ্রাম গণকবর হিসেবে নামকরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com