মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েই হলেন ইউপি চেয়ারম্যান, স্ত্রীও করছেন সরকারি চাকুরী উবার-পাঠাও চালকদের ধর্মঘটের ডাক খুলনায় করোনায় উপসর্গে নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যের ইন্তেকাল ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের যুবসমাজের আইডিয়াল – বশির আহম্মেদ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা বশির আহম্মেদ কে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের, সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার আর এক নাম  বশির আহম্মেদ। মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় আটক ১১ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ প্রাণহীন দেহের গুণের পঞ্চমুখ “স্মৃতিচারণ”

তারুণ্যরে প্রতীক দুলাল চকদার বার বার রাজনৈতিক প্রতিহিংসার শিকার

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২০
  • ৭৪ বার পড়া হয়েছে

 

হেড অফ ঢাকা: টাঙ্গাইল জেলার ভূঞাপুর উপজলোর গোবন্দিাসী ইউনয়িন পরষিদ দুলাল হোসন চকদার ১৯৭৯ সালের ০১ মে জেলার ভূঞাপুর উপজেলা গোবিন্দাসী গ্রামের বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সমাজসেবক পিতা আলহাজ্ব আকবর হোসেন ও মাতা রহিমা বেগমের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। ২০০১ সালে ২৩ মে প¦ার্শবর্তী উপজেলার নারিন্দা ইউনিয়নের দেওপুর গ্রামের আব্দুল আজিজের কনিষ্ঠ কন্যা রুনার সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। দুই ছেলে এক মেয়ে সন্তানের বাবা।

শিক্ষাজীবন হিসেবে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করে ১৯৯৪ সালে গোবিন্দাসী উচ্চ বিদ্যালয় হতে নি¤œ মাধ্যমিক ও ১৯৯৮ সালে চৌহালী ডিগ্রি কলেজ হতে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর সরকারী সা’দত কলেজের বিএসএস (অনার্স) অধ্যয়ন করেন। নি¤œ মাধ্যমিক পর্যায়ে ছাত্র জীবন থেকেই বঙ্গবন্ধুর আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে ছাত্র রাজনীতিতে যুক্ত হন।

কর্মজীবনের শুরুতেই ১৯৮৮ হতে ২০১৪ সাল পর্যন্ত পরিবহন ব্যবসা পরিচালনা করেন। ১৯৯৪ সাল হতে ২০০৩ সাল পর্যন্ত গোবিন্দাসী হাট মালিক হিসেবে যুক্ত ছিলেন। ডেইরী ফার্ম, তেলের পাম্পসহ অন্যান্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিচালনার মাধ্যমে এলাকার অর্ধশত বেকার যুবকদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়েছে। ২০০৩ সালে উপজেলা আওয়ামীলীগের যুব ও ক্রীড়া সম্পাদক ও ২০১৭ সালে ২৩ অক্টোবরের সম্মেলনের মধ্য দিয়ে গোবিন্দাসী ইউনিয়েনের সাধারণ সম্পাদক পদ লাভ করেন। অধ্যবদি উক্ত পদে যথাযথভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি একজন সফল সংগঠক হিসেবে গোবন্দিাসী বাজারে সমবায় সমিতির নির্বাচনে ২০০১ সালে সাধারণ সম্পাদক ও ২০০৪ সালে সভাপতি নির্বাচিতসহ মোট টানা তৃতীয় বারের মত সভাপতি দায়িত্ব পালন করেন। ভূঞাপুর মিনিবাস মালিক সমিতি নির্বাচনে ২০০১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত দুইবারের নির্বাচিত সফল সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। বর্তমানে তিনি উপজেলার কুকাদাইর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি পদে দায়িত্বরত রয়েছেন।

রাজনৈতিক, সংগঠক ও ব্যবসায়ী হিসেবে সফলভাবে এগিয়ে চললে মুষ্টিমেয় কিছু লোকের অপরাজনীতির প্রতিহিংসার কাছে বার বার মানসিকভাবে আহত হয়েছেন। কিন্তু তার একনিষ্ঠ কাজ, সততা, আত্মত্যাগী মনোভাব ও সুষ্ঠুধারার রাজনীতিতে অটল ছিলেন বলেই এখন অবধি সম্মানের সহিত সকলের মাঝে বিরাজমান।
প্রতিহিংসার শিকারের ব্যাপারে মনক্ষুণœ হয়ে দুলাল চকাদার সাংবাদিকে বলেন, আমি ১৯৯১ সালে অষ্টম শ্রেণীতে অধ্যয়নতরত অবস্থায় আমাদের বাড়ির পাশের হতদরিদ্র কাজের বুয়া মাতৃতূল্য সুখিতন (৩৫) বাড়িতে কাজ করতেন ও পরে একসময় তিনি অন্যত্র চলে যান। সুখিতন অন্যত্র চলে যাবার দীর্ঘ দেড় বছর পর প্রতিহিংসার বশিভূত হয়ে আমার বিরুদ্ধে কিছু লোক সুখিতনকে নিয়ে কুৎসা রটায়। কিন্তু আমি সৎ ও সঠিক ছিলাম বলেই আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করতে পারেনি। তারপর আবার ২০০৩ সালে মিথ্যে মামলায় আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করলে তৎকালীন জোট সরকার বিএনপির আমলে শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর এ্যাডভোকেট আব্দুস সালাম পিন্টুর কাছে সুবিচার প্রার্থনা করি। আর এই বিষয়কে কেন্দ্র করে প্রতিহিংসার বশিভূত হয়ে তারা আমার বিরুদ্ধে দল পরিবর্তনের মত মিথ্যে কথা প্রচার করে। তার জবাব আমার আজকের এই অবস্থান।
ব্যবসা পরিচালনা করতে গিয়ে কিছু চাঁদা না দিয়ে অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে গিয়ে উল্টো আমাকে মিথ্যে ডাকাতির মামলায় ফাঁসানো হয়েছে।

তিনি এক প্রশ্নের জবাবে সাংবাদিকদের বলেন, টাঙ্গাইলের উন্নয়নের রূপকার আওয়ামীলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য আব্দুর রাজ্জাক এমপি, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি বজলুর রহমান খান ফারুক ও স্থানীয় সংসদ সদস্য ছোট মনির আমার রাজনৈতিক ও সামাজিক কর্মকান্ড বিচার করে যোগ্য নেতা হিসেবে ইউপি নির্বাচনে মনোনয়ন প্রদান করেন তবে আমি আমার রাজনৈতিক কর্মকান্ডের মাধ্যমে বিপুল ভোটে বিজয়ী লাভ করব আশাবাদী। বৈশ্বিক মহামারী করোনা ভাইরাস ও ভয়াবহ বন্যায় সরকারী সাহায্যের পাশাপাশি এলাকাবাসীর অসহায় মানুষের কষ্ট দেখে নিজ উদ্যোগে ২০লক্ষাধিক টাকার ত্রাণ সামগ্রী ও খাদ্য সহায়তা প্রদান করি।

স্থানীয় ইউপি সদস্য কাদের আলী বলেন, দুলাল হোসেন চকদার একজন সৎ, সাহসী, ন্যায়পরায়ন ত্যাগী নেতা ও আমাদের সাহসী সহযোদ্ধা। রাজনীতির জীবনে তিনি কখনো অন্যায়ের কাছে মাথা নত করেননি। কিছু মীরজাফরদের কারণে আজকে সমাজে রাজনীতিতে এক হেয় প্রতিপন্ন হয়েছেন।

কুকাদাইর গ্রামের বাসিন্দা সুজন প্রামাণিক বলেন, দুলাল হোসেন চকদার একজন জনদরদী, সৎ, আস্থাবান, ন্যায় বিচারক ও ভাল মানুষ। তার কাছে আজ অবধি কেউ সাহায্য চেয়ে খালি হাতে ফেরেনি। জনপ্রতিনিধি হয়েও যারা আমাদের সুখে দুখে পাশে দাঁড়ায়নি সেখানে মানবদরদী এই মানুষটি দুখের কথা শুনেই আমাদের পাশে দাঁড়িয়েছেন। তাই আমি এলাকাবাসীর পক্ষ থেকে দুলাল চকদারকে সামনের নির্বাচনে আমাদের ইউপি চেয়ারম্যান হিসেবে দেখতে চাই।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com