রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৭:১৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা বশির আহম্মেদ কে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের, সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার আর এক নাম  বশির আহম্মেদ। মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় আটক ১১ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ “স্মৃতিচারণ” ২য় শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে,শিক্ষক পলাতক! মহেশপুরে ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে হত্যা ১৪/০৯/২০২১ তারিখ রাউজানে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় এর অভিযানে রাউজানে একাধিক মদের মামলার আসামী ১৫ লিটার মদ সহ গ্রেফতার ০১ জন, মামলা দায়েরঃ দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার কর্মপ্রচেষ্টায় প্রাণী সুরক্ষাসেবা কার্যক্রম। জীবননগরে ওষুধের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ !!!

টাঙ্গাইলে বন্যায় ৪৬৮০ জন মৎস্য চাষী এবার ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন,ক্ষতির পরিমাণ ২৬ কোটি টাকা;

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট, ২০২০
  • ১০০ বার পড়া হয়েছে

 

আতিকুর  রহমান(আতিক) জেলা প্রতিনিধি,টাংগাইলঃ
এবারের ভয়াবহ বন্যায় টাঙ্গাইলের ১১ উপজেলার ৪৬৮০ জন মৎস্য চাষী ব্যাপক লোকসানের সম্মুখীন ।ফলে মাথায় হাত পড়েছে মৎস্য চাষীদের।

অতি বৃষ্টি ও বন্যার পানিতে ভেসে গেছে ১৫৩৮.৩৮৬০ হেক্টর আয়তনের ৫ হাজার ৩২৭ টি পুকুরের মাছ। এতে মৎস্যচাষীদের ২৬ কোটি টাকার উপরে অবকাঠামোসহ ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। ফলে মহাবিপদে রয়েছেন খামারীরা। তারা এখনো পান নি সরকারি সাহায্য সহযোগিতা।

জেলা মৎস্য অফিস জানায়, বন্যায় ১ হাজার ২০৭ মেট্রিক টন মাছ ভেসে গেছে, যার দাম ১৯ কোটি ৩৮ লাখ টাকা। এদিকে ১ কোটি ৭৫ লাখ মাছের পোনা ভেসে গিয়েছে। যার দাম ৪ কোটি ১০ লাখ টাকা। আর অবকাঠামোগত ক্ষতি হয়েছে ২ কোটি ৫২ টাকার টাকার।

এর মধ্যে সদর উপজেলার ১৩৯ জন খামারীর ১৭৪ পুকুর তলিয়ে ৫৮ লাখ ৮৫ হাজার, মির্জাপুরের ৭৪ খামারীর ৭৪ পুকুর তলিয়ে ১৬ লাখ ৪৩ হাজার, দেলদুয়ারের ১৪০ মৎস্যচাষীর ১৯৩ পুকুর তলিয়ে ১ কোটি ৭ লাখ, মধুপুরের ২৫ চাষীর ৩০ পুকুর তলিয়ে ৫২ লাখ, গোপালপুরের ১১৫ মৎস্যচাষীর ১১৫ পুকুর তলিয়ে ৬৮ লাখ ৫৭ হাজার টাকা, নাগরপুরের ৫৭০ মৎস্যচাষীর ৭৯৫ পুকুর তলিয়ে ৫ কোটি ১৭ লাখ।

বাসাইলের ২৭৬ মৎস্যচাষীর ২৭৬ পুকুর তলিয়ে ১ কোটি ৭৭ লাখ, ভূঞাপুরের ৩০৮ চাষীর ৩৩০ পুকুর তলিয়ে ৫ কোটি ৮৬ লাখ টাকা, কালিহাতীর ২ হাজার ৫৭০ চাষীর ২ হাজার ৭৪৮ পুকুর তলিয়ে ৬ কোটি ৯৩ লাখ, ঘাটাইলের ৩৬৯ চাষীর ৪৪০ পুকুর তলিয়ে ১ কোটি ৬৬ লাখ টাকা এবং ও ধনবাড়ীর ১০২ চাষীর ১৪৯ পুকুর তলিয়ে ১ কোটি ৪৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

কালিহাতী উপজেলার নারান্দিয়া ইউনিয়নের মুক্তার আলী নামের এক মৎস্য চাষী বলেন, আমি অন্যের পুকুর বছর ভিত্তিক ভাড়া নিয়ে মাছ চাষ করে জীবিকা নির্বাহ করি। এবারের বন্যায় আমার ৩ টি পুকুর তলিয়ে মাছ বের হয়ে গেছে। আমার এই ক্ষতির জের যে কত দিন টানতে হবে সেটা আল্লাহ জানেন।

মুক্তার আলীর মতো আরো অনেক ক্ষতিগ্রস্থ চাষী বলেন একদিকে করোনা ভাইরাসে ব্যবসা বাণিজ্য নেই। এর উপর বন্যায় একেবারে শেষ করে দিলো। আমাদের পথে বসার পরিস্থিতি হয়ে গেছে। সরকারের কাছে প্রান্তিক চাষীরা অনুরোধ জানিয়েছেন প্রকৃত ক্ষতিগ্রস্থদের যেন আর্থিক সাহায্য করে তাদের বাাঁচয়ে রাখেন।

এদিকে নানা স্থানে ঘুরে দেখা যায়,বন্যার নতুন পানিতে ধর্ম জাল, কারেন্ট জাল ও বড়শি দিয়ে মাছ শিকারের হিড়িক পড়ে গেছে। যে মাছ গুলো ধরা পড়ছে সেগুলো অধিকাংশই তলিয়ে যাওয়া পুকুরে চাষ করা মাছ।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গোলাম কিবরিয়া বলেন, এবারের বন্যায় টাঙ্গাইলে ২৬ কোটি টাকার উপরে মৎস্য খাতের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

অনেক খামারি ঋণ করে মাছের ব্যবসা করছেন। তদের একেবারে সর্বনাশ। আমরা ক্ষতিগ্রস্থ মৎস্য চাষীদের তালিকা করে মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। সরকারি আর্থিক সাহায্যের বিষয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। এই কর্মকর্তা আরো বলেন খামারিদের ঘুরে দাঁড়ানোর জন্যে পরামর্শ ও প্রযুক্তিগতসহ সার্বিক সাহায়্য করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com