রবিবার, ১৭ অক্টোবর ২০২১, ১১:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মনোনয়ন ফরম জমা দিলেন স্বরুপপুর  ইউপির আ’লীগ মনোনীত প্রার্থী- মিজানুর রহমান  ঝিনাইদহে বিএমএসএফ’র ১৪ দফা নিয়ে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় সভা আহত প্রধান শিক্ষকের পাশে দাঁড়াতে গোপালগঞ্জে যাচ্ছেন শিক্ষক সমিতির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ। মহেশপুরে বিএনপির ২ টি ইউনিয়নে দ্বিবার্ষিক সম্মেলণ অনুষ্ঠিত। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর  ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান এডভোকেট.  হুমায়ন কবির  কে আবারও চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। ঝিনাইদহের মহেশপুরে পরিবেশ অধিদপ্তরের পরিদর্শক জাহিদ হাসান লাঞ্চিত  মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়ন এর মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল হান্নান মহেশপুরে চেয়ারম্যান মনোনয়ন প্রত্যাশী আব্দুল হান্নানের গণসংযোগ রাতের প্রহরী অনুভূতি

এবারের ভয়াবহ বন্যায় টাঙ্গাইল জেলার ৬৪৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় মারাত্বকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ;

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২০
  • ৯১ বার পড়া হয়েছে

 

 

আতিকুর রহমান(আতিক) জেলা প্রতিনিধি,টাংগাইলঃ
এবারের ভয়াবহ বন্যায় টাঙ্গাইল জেলায় ৬৪৩টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জানা যায়,একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় নদীগর্ভে সম্পূর্ণ বিলীন হয়ে গেছে। হুমকির মুখে রয়েছে আরও অন্তত ১১টি বিদ্যালয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, টাঙ্গাইলের ১২টি উপজেলায় মোট ১ হাজার ৬২৪টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে এবার বন্যায় মারাত্বক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে ৬৪৩টি বিদ্যালয়ের।

অসংখ্য বিদ্যালয় পানিতে ডুবে যায়। দীর্ঘ সময় বন্যার পানিতে ডুবে থাকায় মাটি নরম হয়ে বিদ্যালয়গুলোর ভবনের মেঝে, কোনোটির দেয়াল, কোনোটির সিঁড়ি মাটির নিচে দেবে গেছে। কোনো কোনো বিদ্যালয়ের মাঠ পানির স্রোতে গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছে।আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে নির্মিত ৬৫টি বিদ্যালয়েও ক্ষতি হয়েছে।

ক্ষতিগ্রস্ত বিদ্যালয়গুলো মেরামত ও পুনরায় নির্মাণ করতে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় কর্তৃপক্ষ।

ইতিমধ্যে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় ৬৪৩টি বিদ্যালয়ের ক্ষতি নিরূপণ করে প্রায় সাড়ে ছয় কোটি টাকার একটি হিসাব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠিয়েছে।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়ের তথ্য মতে সদর উপজেলার ক্ষতিগ্রস্ত ১০১টি বিদ্যালয়ের জন্য ৩৮ লাখ, ঘাটাইলের ৪১টি বিদ্যালয়ের জন্য ২৭ লাখ, গোপালপুরে ৬৩টি বিদ্যালয়ের জন্য ৩২ লাখ, বাসাইলে ৫১টির জন্য ৯ লাখ, দেলদুয়ারে ৭২টির জন্য ৪৪ লাখ, মির্জাপুরে ৬৮টির জন্য ৪১ লাখ, কালিহাতীতে ১০২টির জন্য ১ কোটি ৪০ লাখ, নাগরপুরে ৮৪টির জন্য ৫১ লাখ, ভূঞাপুরে ৪৯টির জন্য ১ কোটি ৩ লাখ এবং সখীপুরে সাতটি বিদ্যালয় মেরামতের জন্য ৩৩ লাখ টাকা খরচ হবে বলে জানিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয়।

এ ছাড়া বন্যায় যমুনায় গর্ভে বিলীন হয়ে যাওয়া পাইকশা মাইঝাইল প্রাথমিক বিদ্যালয় নতুন করে নির্মাণের জন্য ১ কোটি ২০ লাখ টাকার চাহিদাপত্র প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরে পাঠানো হয়েছে।

এ ছাড়া এবারের বন্যা ও নদীভাঙনের ফলে ভূঞাপুর ও কালিহাতী উপজেলার ১১টি প্রাথমিক বিদ্যালয় হুমকির মধ্যে রয়েছে বলে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কার্যালয় সূত্র জানায়।

বিদ্যালয়গুলো হচ্ছে ভূঞাপুর উপজেলার চর চন্দুনী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোপালগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রেহাই মেঘারপটল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, শশুয়ারচর পূর্ব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, গোবিন্দপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ইনছাব আলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়,বাসুদেবকোল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, রামপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, ফলদা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, কালিহাতী উপজেলার বেলুটিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও রানীহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুল আজিজ জানান,এবারের বন্যা দীর্ঘস্থায়ী হওয়ায় ক্ষয়ক্ষতি বেশি হয়েছে। ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ করে বিদ্যালয়গুলো মেরামতের জন্য বরাদ্দ চাওয়া হয়েছে। বরাদ্দ পাওয়ার পর মেরামত করা হবে।

 

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com