মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:২২ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়ন এর মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দিপু স্বরুপপুর ইউনিয়নের গরীব-দুঃখী মানুষের আস্থার ঠিকানা বশির আহম্মেদ ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েই হলেন ইউপি চেয়ারম্যান, স্ত্রীও করছেন সরকারি চাকুরী উবার-পাঠাও চালকদের ধর্মঘটের ডাক খুলনায় করোনায় উপসর্গে নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যের ইন্তেকাল ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের যুবসমাজের আইডিয়াল – বশির আহম্মেদ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা বশির আহম্মেদ কে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের, সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার আর এক নাম  বশির আহম্মেদ। মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় আটক ১১ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ

বিএনপি নেত্রী ফৌজিয়া খিলজি সোহেলীর কিছু লেখা সাবেক মন্ত্রী মরহুম আমিরুল ইসলাম কালাম কে নিয়ে

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শুক্রবার, ৮ মে, ২০২০
  • ১৭৫ বার পড়া হয়েছে

বিএনপি নেত্রী ফৌজিয়া খিলজি সোহেলীর কিছু লেখা সাবেক মন্ত্রী মরহুম আমিরুল ইসলাম কালাম কে নিয়ে।

বিশেষ প্রতিনিধি হাতিয়া, নোয়াখালী :-
আজ ৯ই মে
হাতিয়াবাসীর জন্য এক বেদনা দায়ক দিবস।
এই দিনে ১৯৮৪ সনে হাতিয়া দ্বীপের ক্ষণজন্মা অগ্নি পুরুষ
হত দরিদ্র অসহায় মানুষের প্রাণপুরুষ, মানবতার সৈনিক
সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তি, হাতিয়াবাসীর অহংকার, ‘৭০ সালের জাতীয় নির্বাচনে সাড়া জাগানো ফলাফল অর্জনকারী,
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রয়াত প্রতিমন্ত্রী আমিরুল ইসলাম কালাম সাহেবের ৩৬তম মৃত্যুবার্ষিকী।

সর্বজন শ্রদ্ধেয় ব্যক্তির গুণাবলীর কথা বলতে গেলে ফেবুতে স্থান সংকুলান হয়তো হবে না।
কারণ তিনি ছিলেন জনতার নেতা।
তারপরেও দুই চারটি কথা না বললে নিজেকে অপরাধী হিসেবে মনে হবে। সত্যিকার অর্থে তাঁর ছিল না কোনো লোভ-লালসা, ছিল না কোনো অহংকার,

ছিল শুধু হাতিয়া’র মাটি ও মানুষের প্রতি নিঃস্বার্থ ভালবাসা ও সেবা।
#প্রথমত
খরস্রোতা মেঘনার করাল গ্রাসে জাহাজমারা’র পশ্চিম অংশ যখন বিলীন হওয়ার পথে তখন তিনি জাহাজমারা তথা হাতিয়াকে রক্ষা করার জন্য তাঁর লালখানস্থ বাসভবনটি বিক্রি করে দেন।

বিক্রিত অর্থ দিয়ে তিনি জাহাজমারা রক্ষাকল্পে প্রয়োজনীয় সরঞ্জামানাদি ক্রয় ও লেবার খরচ দেন।
শুধু বাড়ি বিক্রি করেননি তাঁর শখের ২২০০ মণ ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন বালাম নৌকাটিও খরস্রোতা মেঘনা নদীতে ডুবিয়ে দেন।
#দ্বিতীয়তঃ হাতিয়া’র উত্তর অংশে নদী ভাঙ্গনরোধকল্পে কয়েকবার নদীতে বেরিগেড দিয়েও নদী ভাঙ্গনরোধ করতে পারেননি।

#তৃতীয়তঃ হাতিয়া জামে মসজিদ যখন নদী ভাঙ্গনের সম্মুখীন তখন তিনি তাঁর মেঝো ছেলে আশিক মামা সহ হাতিয়াবাসীকে নিয়ে প্রাণপণ চেষ্টা করে ছিলেন মসজিদসহ হাতিয়াকে রক্ষা করার জন্য।
ছোট বেলা ঐ বাসায় খুব যাওয়া হত মুক্তা বুবু আমাকে খুব আদর করতেন।
দোতালার বারান্দায় বসে পুতুল খেলার স্মৃতিটা এখন ও মাঝে মাঝে মনে পড়ে।
জনপ্রতিনিধি হিসেবে
তিনি ছিলেন শ্রেষ্ঠ জনপ্রতিনিধি।
তিনি আমাদের আফাজিয়া বাসায় আসতেন।

গরীব দুঃখীদের দুর্দশা দেখতে একা একা রিকশা নিয়ে মানুষের বাড়ি বাড়ি যেতেন এবং তাদের সমস্যার সমাধান করতেন।

১৯৭৯ সালে জাতীয় নির্বাচনের সময় আমাদের বাসা দূর্বৃত্তরা জ্বালিয়ে দেয়।
আমার বাবা তখন উনার বাসায় ছিলেন।
বাবাকে আসতে দেয়নি।
পরদিন তিনি বাবাকে নিয়ে আমাদের আফাজিয়া বাসায় আসেন।
হাতিয়া শিক্ষাখাতে ও তার অবদান ছিলো চোখে পড়ার মত।
হাতিয়ার মোক্তারিয়া ঘাট থেকে নিঝুমদ্বীপ বাঁধ দেওয়ার পরিকল্পনা করে ছিলেন। বাল্লারচরকে নিঝুম দ্বীপ নাম করণ করে ছিলেন তিনি।
শহিদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান কে নিঝুমদ্বীপ পর্যাটন এলকা ঘোষনা করার দাবী জানিয়ে ছিলেন।
উনি যদি আরো কিছুদিন সুযোগ পেলে হয়তো আজ হাতিয়া দূর্গম এলাকা না হয়ে সফল হাতিয়ায় রূপদান পেতো।

‘৮০ সালে তাঁর জেষ্ঠ্য মেয়ে আফছানা খালার বিয়েতে অংশগ্রহণ করেছিলাম।

মন্ত্রী হওয়ার পর মিছিল সহকারে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রয়াত রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের হাতিয়ায় আগমন উপলক্ষে এ এম হাইস্কুল মাঠে লোকে লোকারণ্য হয়ে যায়।

সর্বশেষ ১০ মে ১৯৮৪ সালে এম হাইস্কুল মাঠে তাঁর নামাজে জানাযায় অনুষ্ঠিত হয়।
আফাজিয়া থেকে আমরা রিকশা করে যখন পৌঁছাই তখন মানুষের জন্যে রিকশা আর বাসা পর্যন্ত যেতে পারেনি। রাস্তার পূর্ব পাশে
কৃষি ব্যাংকের মেনেজারের বাসায় আমরা চলে যায়।
তারপর সন্ধ্যায় আমরা বাসায় যাই।
রাতে রেখা আপার বাসায় ছিলাম।
তিনি ১৯৮৪ সালে ৯ মে সকাল অানুমানিক ৯ ঘটিকায় বাথানখালীস্থ বাসভবনে ইন্তেকাল করেন এবং পরেরদিন জানাযা শেষে চৌরঙ্গী বাসভবনের সামনে তাঁকে সমাধিস্থ করা হয়। পরবর্তীতে নদী ভাঙ্গনের কারণে তাঁর মরদেহ ওছখালীস্থ এ এম হাইস্কুলের সামনে পুনঃদাফন করা হয়। আমি জনদরদী হাতিয়ার জনগণের বন্ধুর
আত্মার মাগফেরাত কামনা করছি।
হে প্রভু তুমি সকল মৃত ব্যক্তিকে ক্ষমা করে দাও।
তাদের কবরকে প্রস্তত করে দাও।
সকলকে তোমার দিদার নচিব করে দাও।
প্রভু হে তুমি মহান তুমি দয়ালু তুমি ক্ষমাশীল।
করুনা কর হে করুণাময় সৃষ্টিকর্তার।

লেখিকা
ফৌজিয়া খিলজী সোহেলী।
মহা নগর দক্ষিণ বিএনপি।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com