রবিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০৯:২০ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা বশির আহম্মেদ কে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের, সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার আর এক নাম  বশির আহম্মেদ। মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় আটক ১১ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ “স্মৃতিচারণ” ২য় শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে,শিক্ষক পলাতক! মহেশপুরে ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে হত্যা ১৪/০৯/২০২১ তারিখ রাউজানে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় এর অভিযানে রাউজানে একাধিক মদের মামলার আসামী ১৫ লিটার মদ সহ গ্রেফতার ০১ জন, মামলা দায়েরঃ দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার কর্মপ্রচেষ্টায় প্রাণী সুরক্ষাসেবা কার্যক্রম। জীবননগরে ওষুধের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ !!!

লামা-চকরিয়া সড়ক নির্মানে পার্বত্য এলাকার ক্ষতিগ্রস্থ ৫০ পরিবার ক্ষতিপুরণ পাওয়ার দাবী

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় শনিবার, ২১ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ২০২ বার পড়া হয়েছে

জাহিদ হাসান,বিশেষ প্রতিনিধি।।

লামা-আলীকদম ফাঁসিয়াখালী সড়কের ইয়াংছা বাজার পয়েন্ট থেকে চকরিয়া উপজেলার জিদ্দা বাজার পর্যন্ত নির্মাণা হচ্ছে সাড়ে উনিশ কি:মিটার সড়ক। নির্মাণাধীন সড়কের দেড় কি:মি: লামা অংশে পড়েছে। সড়কের হীমছড়ি থেকে ইয়াংছা বাজার পর্যন্ত প্রায় দেড় কি:মি: সড়কের দু’পাশের ৫০টির মতো পরিবারের বসত ঘর, জমি, গাছগাছালীসহ মৌসুমি ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। এ ব্যাপারে স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থ বাসিন্দারা সরকারের নিকট ক্ষতিপূরণ দাবী করছে।

সূত্রে জানাযায়, লামা-আলীকদম সড়কের লামা উপজেলার ইয়াংছা বাজার পয়েন্ট থেকে চকরিয়ার সুরুজপুর- মানিকপুর হয়ে জিদ্দা বাজার পর্যন্ত একটি সড়ক নির্মিত হচ্ছে। কক্সবাজার সড়ক ও জনপদ বিভাগের আওতায় সাড়ে উনিশ কি:মি: সড়কের ব্যায় বরাদ্দ হয়েছে, আটান্ন কোটি টাকা। চকরিয়া উপজেলার মানিকপুর-সুরুজপুর হয়ে এটি পার্বত্য লামা উপজেলার ইয়াংছা বাজার পয়েন্টে লামা-আলীকদম সড়কে মিলিত হবে। নির্মাণাধীন সড়কের দেড় কি:মি: অংশ পড়েছে পার্বত্য লামা উপজেলায়।

সুরুজপুর-মানিকপুর এবং লামা পার্বত্য উপজেলার সীমান্ত পয়েন্ট ইয়াংছা মৌজার শেষাংশে হীমছড়ি। ২১ ডিসেম্বর সরেজমিন দেখা যায়, হীমছড়ি থেকে ইয়াংছা বাজার পর্যন্ত নির্মাণাধীন সড়কের দু’পাশে প্রায় ৫০টির মতো পরিবার সড়ক নির্মাণ কাজের ফলে বিভিন্নভাবে ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, নতুন-পুরাতন পাকা-সেমিপাকা বসত ঘর, বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান, বাঁশ কাঠের ঘর, সৃজিত গাছগাছালী, বাঁশ বাগান, মৌসুমি ফসল ইত্যাদি। ইয়াংছার বাসিন্দা মাহমুদা খাতুন, পারভীন আক্তার, রুহুল আমিন, সাজেদা পারভীন, নুরুল আফসার মো: শাহেদ, হাবিবুর রহমান, শাহ আলম সর্দার, কবির মাঝি, হোসনে আরা, উমে মার্মানী ও ক্যসিংহ্লা মার্মাসহ অনেকে নির্মাণাধীণ সড়কের কাজে তাদের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হওয়ার কথা জানান।

ইয়াংছা মৌজার হেডম্যান ক্যাসিংহ্লা মার্মা জানান, সড়ক নির্মাণ কাজে দু’পাশের জমি, বাড়িঘর, বাগান, ক্ষেতের ফসল-এর প্রচুর পরিমান ক্ষতি হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্থ এসব পরিবার প্রান্তিক শ্রেণির। সরকার তাদেরকে ক্ষতিপূরণ দেয়া দরকার। অনেকে মাত্র ১০ শতাং জমির মালিক, তার পুরাটাই সড়কের মধ্যে পড়েগেছে। তারা এখন কোথায় যাবে? এমন প্রশ্ন করেছেন তিনি সরকারের সংশ্লিষ্টদের কাছে ।
ফঁসিয়াখালী ইউপি চেয়ারম্যান জাকের হোসেন মজুমদার বলেন, সড়কটি খুবই জরুরী। তবে এটি নির্শাণ করতে গিয়ে কম বেশি প্রায় ৫০টির মতো পরিবার ক্ষতি গ্রস্থ হয়েছে বা হবে। এরা সবাই দরিদ্র বাসিন্দা, কর্তৃপক্ষ তাদের ক্ষতিপূরণ দেয়া উচিৎ।

সড়ক ও জনপদ বিভাগের কক্সবাজার নির্বাহী প্রকৌশলী জানান, “ক্ষতিপূরণ বরাদ্দ আমাদের নেই। তবে ক্ষতিগ্রস্থরা আবেদন করলে উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে ব্যাবস্থা নেয়ার জন্য আমরা লিখবো। তিনি বলেন সড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ন, একই সাথে প্রান্তিক মানুষরাও বাঁচতে হবে। ক্ষতিগ্রস্থদের আবেদন পেলে বিষয়টি তিনি সংশ্লিষ্ট উধ্বর্তন কর্তৃপক্ষকে জানাবো। দেরিতে হলেও তারা ক্ষতি পূরণ পাবেন”।
লামা উপজেলা নির্বাহী অফিসার নূর-এ জান্নাত রুমি জানান, এ ব্যাপারে আমরা এখনো সুনির্দিষ্ট কিছু জানিনা। স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্থদের আবেদন পেলে বিষয়টি নিয়ে যথাযথ কর্তৃপক্ষকে লিখবো”।

বিষয় লামা পার্বত্য জেলার সংশ্লিষ্টরা নজরে আনা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com