মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ০১:৪৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েই হলেন ইউপি চেয়ারম্যান, স্ত্রীও করছেন সরকারি চাকুরী উবার-পাঠাও চালকদের ধর্মঘটের ডাক খুলনায় করোনায় উপসর্গে নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যের ইন্তেকাল ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের যুবসমাজের আইডিয়াল – বশির আহম্মেদ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা বশির আহম্মেদ কে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের, সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার আর এক নাম  বশির আহম্মেদ। মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় আটক ১১ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ প্রাণহীন দেহের গুণের পঞ্চমুখ “স্মৃতিচারণ”

ঝিনাইদহের চাঞ্চল্যকর সার ব্যবসায়ী হত্যা মামলার রায় ঘোষনা দুই জনের যাবজ্জীবন একজনের ৫ বছর কারাদন্ড

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ১২ আগস্ট, ২০১৮
  • ৩৬০ বার পড়া হয়েছে

বাংলার মুখ ডেক্স:

ঝিনাইদহের চাঞ্চল্যকর বিসিআইসি সার ডিলার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল লতিফ হত্যা মামলায় দুই জনকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড । একই সাথে দন্ডিতদের ৫০ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে । জরিমানার টাকা অনাদায়ী হলে আরো দুই বছরের কারাদন্ড ভোগ করার নিদের্শ দিয়েছেন আদালত । রোববার দুপুরে ঝিনাইদহের অতিরিক্ত জেলা দায়রা জজ প্রথম আদালতের বিচারক গোলাম আযম এ রায় দেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলো-শৈলকুপা উপজেলার বগুড়া গ্রামের মোস্তাকুর রহমান ওরফে ব্যানেট ও কামান্না গ্রামের শামু আমমেদ।
মামলার বিবরণে জানা যায়,ঝিনাইদহ জেলার শৈলকুপা উপজেলার ভাটইবাজারের বিসিআইসি সার ডিলার ও কীটনাশক ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল লতিফ । তার বাড়ির বাজারের কাছে আহসাননগর গ্রামে । ২০১০ সালের ৬ এপ্রিল মোটর সাইকেল চড়ে পাওনাদারদের কাছে টাকা আদায় করতে বাড়ি থেকে বেরহন তিনি ।পথে উপজেলা শহরের কবিরপুর অগ্রনী ব্যাংকের সামনে পৌঁছালে আসামীরা তাকে পরিকল্পিত ভাবে অপহরণ করে । এরপর তাকে নিয়ে যাওয়া হয় একই উপজেলার বগুড়া গ্রামে । সেখানে তাকে গলায় ফাঁস দিয়ে নির্মম ভাবে হত্যা করে লাশ বস্তায় ভরে গ্রামে বাহার খানের একটি মেহগনি বাগানে মাটিচাপা দিয়ে রাখে ।এ ঘটনায় পরদিন নিহতের ছেলে মামুনুর রশিদ বাদি হয়ে সংশ্লিষ্ট থানায় অজ্ঞাতদের আসামী করে একটি মামলা দায়ের করেন।এ মামলার সুত্র ধরে পুলিশ মোস্তাকুর রহমান ওরফে ব্যানেটকে আটক করে। তার দেওয়া স্বীকারোক্তি মোতাবেক একই বছরের ৯ এপ্রিল তৎকালীন পুলিশ সুপার রেজাউল ইসলামের প্রত্যক্ষ নেতৃত্বে হাজী আব্দুল লতিফের গলিত লাশ উদ্ধার করা হয় ।পরের বছর ২০১১ সালের ১১ মে ৪ জনকে আসামী করে আদালতে অভিযোগ পত্র দাখিল করে পুলিশ ।দীর্ঘ শুনানী ও ১৬ জন স্বাক্ষীর বক্তব্য গ্রহন শেষে আদালত চাঞ্চল্যকর এ মামলার রায় ঘোষনা করেন ।
আদালত সুত্র জানায় এ মামলার প্রধান আসামী শৈলকুপা উপজেলার বগুড়া গ্রামের কানা সুকনাল বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়।অপর জন মো: রাকু পলাতক রয়েছে । তাকে ৫ বছরের কারাদন্ড দিয়েছেন আদালত। দন্ডি আসামী মোস্তাকুর রহমান ওরফে ব্যানেটের কাছে নিহত ব্যবসায়ী হাজী আব্দুল লতিফ ৩ লাখ ১৭ হাজার ৬০০ টাকা পাওনা ছিলেন । এই টাকা লেনদেন নিয়ে খুনের ঘটনাটি ঘটে ।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com