সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা বশির আহম্মেদ কে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের, সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার আর এক নাম  বশির আহম্মেদ। মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় আটক ১১ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ “স্মৃতিচারণ” ২য় শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে,শিক্ষক পলাতক! মহেশপুরে ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে হত্যা ১৪/০৯/২০২১ তারিখ রাউজানে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় এর অভিযানে রাউজানে একাধিক মদের মামলার আসামী ১৫ লিটার মদ সহ গ্রেফতার ০১ জন, মামলা দায়েরঃ দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার কর্মপ্রচেষ্টায় প্রাণী সুরক্ষাসেবা কার্যক্রম। জীবননগরে ওষুধের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ !!!

মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদে চলছে নানা দুর্নীতি

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ৪০০ বার পড়া হয়েছে

তালিকায় নাম আছে, ব্যক্তি জানেন না কজের খবর!
হতদরিদ্রদের কর্মসৃজন প্রকল্প

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি

মহেশপুর উপজেলার মান্দারবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদে চলছে নানা দুর্নীতি। ছেলে-মেয়েকে স্কুলে ভর্তি থেকে দরিদ্রদের কর্মসৃজন প্রকল্প সব জায়গায় চলছে অনিয়ম। ভুক্তভোগীরা দ্রুত তদন্তপূর্বক অভিযুদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

জানা যায়, ইউনিয়নে অতিদরিদ্র কর্মসূচির আওতায় ৪০ দিনের কাজ এখনও চলমান। চেয়ারম্যান ও সচিব দরিদ্র মানুষের নামে ভুয়া তালিকা করে এ টাকা আত্মসাত করছেন। ১৭৬ জনের মধ্যে কাজ করেছেন গুটিকয়েক শ্রমিক। এছাড়া শ্রমিকের তালিকায় যাদের নাম আছে তারা অনেকে জানেন না এই কর্মসূচির কাজ চলছে। অভিযোগ আছে, এলাকার ছেলে-মেয়েদের স্কুলে ভর্তি, পাসপোর্ট ও জমি কেনা-বেচার জন্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও জন্মনিবন্ধন সনদ নিতে সরকার নির্ধারিত ফির দ্বিগুণ আদায় করা হয়। চেয়ারম্যান-সচিব ইচ্ছামত ওয়ারেশ কায়েম, ট্রেড লাইসেন্স, বিভিন্ন প্রত্যয়নের রেট বৃদ্ধি করেন। ঠিকমত অফিস করেন না চেয়ারম্যান। তিনি নিয়মিত তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বেলেমাঠ বাজারে বসে ইউপির কর্ম পরিচালনা করেন।

এছাড়া এলজিএসপি-৩ এর কাজ ঠিকাদারদের কাগজপত্র দিয়ে চেয়ারম্যান নিজেই সম্পন্ন করেছেন। বিভিন্ন প্রকল্প ঘুরে দেখা যায়, মির্জাপুরের আইতালের বাড়ি থেকে লবার বাড়ি, হবিবরের দোকান থেকে থেকে হায়দারের বাড়ি ও শংকরহুদা আনছারের বাড়ি থেকে বটতলা পর্যন্ত রাস্তার ফ্লাট সলিং, হুদাশ্রীরামপুর জালালের বাড়ি থেকে আলতাফের বাড়ি পর্যন্ত সড়ক ডব্লিউবিএমকরণ কাজ খুবই নিম্নমানের সমগ্রী দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।

 

শংকরহুদা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দুই কক্ষবিশিষ্ট টয়লেটের কাজ আজও শেষ হয়নি। এ সব কাজ চেয়ারম্যান ও সচিব নিজেরাই করে বিল তুলেছেন। ইউপি সচিব শাহিনুর রহমান জানান, বিধিমোতাবেক কাজ হচ্ছে।

চেয়ারম্যান শফিদুল ইসলামের দাবি, সরকার নির্ধারিত ফি নেওয়া হয়। বাড়তি টাকা আদায় বা কোনো কাজেও অনিয়ম হচ্ছে না। প্রতিপক্ষরা এ সব রটাচ্ছে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com