সোমবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা বশির আহম্মেদ কে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের, সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার আর এক নাম  বশির আহম্মেদ। মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় আটক ১১ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ “স্মৃতিচারণ” ২য় শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে,শিক্ষক পলাতক! মহেশপুরে ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে হত্যা ১৪/০৯/২০২১ তারিখ রাউজানে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় এর অভিযানে রাউজানে একাধিক মদের মামলার আসামী ১৫ লিটার মদ সহ গ্রেফতার ০১ জন, মামলা দায়েরঃ দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার কর্মপ্রচেষ্টায় প্রাণী সুরক্ষাসেবা কার্যক্রম। জীবননগরে ওষুধের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ !!!

ঘাটাইলে ভিজিডি কার্ডের প্রলোভনে গৃহবধু ধর্ষণ, শালিশে ধর্ষণের মূল্য নির্ধারণ ২০ হাজার টাকা

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় রবিবার, ১৪ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ৪১৩ বার পড়া হয়েছে

টাঙ্গাইলের ঘাটাইল উপজেলার লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের এক গৃহবধূকে (২২) ভিজিডি কার্ড দেয়ার প্রলোভন দেখিয়ে ওই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মো. রাসেল (২৮) ধর্ষণ করেছেন বলে অভিযোগ ওঠেছে।

গ্রাম্য সালিশে গৃহবধূকে ধর্ষণের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ২০ হাজার টাকা।

জানা যায়, লোকেরপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের ৩নং ওয়ার্ডের হতদরিদ্র জনৈক গৃহবধূ দীর্ঘদিন যাবত একটি ভিজিডি কার্ড করে দেয়ার জন্য স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রাসেল মিয়ার কাছে ধর্ণা দিচ্ছিলেন।

গত ১০ জানুয়ারি গভীর রাতে ইউপি সদস্য মো. রাসেল মিয়া স্বামীর অনুপস্থিতির সুযোগে ওই গৃহবধূর ঘরে ঢুকে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় গৃহবধূর চিৎকারে তার শ্বশুর ও এলাকাবাসী দৌঁড়ে এসে ধর্ষক মো. রাসেল মিয়াকে হাতেনাতে আটক করে।

পরে ইউপি সদস্যের স্বজনরা ন্যায় বিচারের আশ্বাস দিয়ে মো. রাসেলকে ছড়িয়ে নেয়।

পরদিন ১১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় দশানী বকশিয়া গ্রামের মো. মাতাব আলীর বাড়িতে ঘরোয়া গ্রাম্য সালিশে ধর্ষণের দায়ে রাসেলকে ২০ হাজার টাকা জরিমানা করে ঘটনা নিষ্পত্তি করা হয়।

সালিশে মো. নুরুজ্জামান ওরফে মাতাব আলী মাষ্টার সভাপতিত্ব করেন। সালিশে অন্যদের মধ্যে স্থানীয় মাতব্বর আলমগীর তালুকদার, মনিরুজ্জামান তালুকদার মনি, আ. মান্নান তালুকদার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

ধর্ষিতার শ্বশুর জানান, গোপণে অনুষ্ঠিত ঘরোয়া বৈঠকে ধর্ষিতার ২০ হাজার টাকা জরিমানা ধার্য করা হলেও ওই টাকা ধর্ষিতার হাতে পৌঁছেনি। তাছাড়া গ্রাম্য সালিশে পক্ষপাতিত্ব করা হয়েছে।

সালিশের মাতব্বর আ. মান্নান তালুকদার বলেন, এ ঘটনায় আমরা মামলা করতে আগ্রহী ছিলাম। গ্রামের মাতব্বরদের অনুরোধে সালিশে বসেছিলাম, কিন্তু আমরা ন্যায় বিচার পাইনি।

সালিশের মাতব্বর স্বপন তালুকদার ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে সংবাদ প্রকাশ না করার অনুরোধ করেন।

সালিশের সভাপতি মো. নুরুজ্জামান ওরফে মাতাব আলী মাষ্টার জানান, দুই পক্ষই তার স্বজন। তাই ঘটনাটি সমাধানের চেষ্টা করেছেন।

ইউপি সদস্য মো. রাসেলকে মুঠোফোনে না পাওয়ায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

লোকেরপাড়া ইউপি চেয়ারম্যান ও স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা মো. শরিফ হোসেন জানান, বিষয়টি ইউপি সদস্য মো. রাসেল বা অন্য কেউ তাকে জানায়নি। ইউপি সদস্য হলেও ধর্ষণের মতো ন্যাক্কারজনক ঘটনায় জড়িত থাকলে তাকে অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com