শুক্রবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১২:০২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ “স্মৃতিচারণ” ২য় শ্রেণীর দুই ছাত্রীকে যৌন হয়রানি অভিযোগ উঠেছে মাদ্রাসা শিক্ষকের বিরুদ্ধে,শিক্ষক পলাতক! মহেশপুরে ইজিবাইক চালককে পিটিয়ে হত্যা ১৪/০৯/২০২১ তারিখ রাউজানে চট্টগ্রাম জেলা কার্যালয় এর অভিযানে রাউজানে একাধিক মদের মামলার আসামী ১৫ লিটার মদ সহ গ্রেফতার ০১ জন, মামলা দায়েরঃ দ্বীপ উন্নয়ন সংস্থার কর্মপ্রচেষ্টায় প্রাণী সুরক্ষাসেবা কার্যক্রম। জীবননগরে ওষুধের দাম বেশি নেওয়ার অভিযোগ !!! পাব কি ঠাঁই? সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার-ম্যাডাম’ বলার রীতি নেই প্রাথমিক বিদ্যালয় রিওপেনিং নিয়ে নোয়াখালী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস কৃর্তক আলোচনা

মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হক সহ চার পুলিশ ক্লোজ

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ৮ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ৪২৩ বার পড়া হয়েছে

মোস্তাফিজুর রহমান উজ্জ্বল, ঝিনাইদহ প্রতিনিধি;

ঝিনাইদহের মহেশপুর থানার এস.আই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজড করা হয়েছে। প্রশাসনিক কারণে তাদের ক্লোজ করার কথা পুলিশের পক্ষ থেকে বলা হলেও বড় ধরণের সোনা আত্মসাতের ঘটনা জড়িত বলে গুজব ছড়িয়ে পড়েছে। ক্লোজ হওয়া অন্য পুলিশ সদস্যরা হলেন, কনস্টেবল মনিরুজ্জামান, এইচ এম এরশাদ ও ওলিয়ার রহমান।

অভিযোগ পাওয়া গেছে, গত বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে মহেশপুরের পুরন্দপুর নামক স্থানে সোনারতরী পরিবহনে অভিযান চালিয়ে পুলিশ পরিচয়ে কতিপয় ব্যক্তি ৬৫ পিস সোনার বার উদ্ধার করে। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর নড়েচড়ে বসে জেলা পুলিশ। ঘটনা সামনে রেখে মহেশপুর থানায় একটি ডাকাতি মামলা (মামলা নং ১০) দায়ের করে নিবিড় অনুসন্ধানে নামে পুলিশ। ডাকাতির এই মামলাটি তদন্ত করছে মহেশপুর থানার এসআই আনিসুর রহমান।

এদিকে অনুসন্ধান চালিয়ে ঘটনার দিন সোনারতরি বাসে অভিযান চালানো হাইওয়ে ডিউটিরত পুলিশ সদস্যদের সনাক্ত করা হয়। এরপর জেলা পুলিশ তাদের বিরুদ্ধে তদন্তে নামে। অসমর্থিত সুত্র মতে কোটচাঁদপুরের এক চোরাচালান সিন্ডিকেটের গডফাদারকে জিজ্ঞাসাবাদের পর ঘটনার প্রাথমিক সত্যতা পেয়েই সোমবার সকালে মহেশপুর থানার এসআই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়। তবে সোনার বার উদ্ধার ও আত্মসাতের বিষয়টি পুলিশের পক্ষ থেকে পুরো গোপন রাখা হচ্ছে। বলা হচ্ছে সোনা উদ্ধারের মতো কোন ঘটনাই ঘটেনি। ক্লোজ হওয়া পুলিশের এসআই নাজমুল হক বলেন, আমি ঘটনার দিন রাতে হাইওয়ে ডিউটিতে ছিলাম। সোমবার সকালে শুনি আমিসহ চার পুলিশ ক্লোজ হয়েছি।

তিনি বলেন কি ঘটনা ঘটেছে আমি কিছুই জানি না। কি কারণে আমিসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে তাও জানি না। বিষয়টি নিয়ে মহেশপুর থানার ওসি আহম্মেদ কবির জানান, প্রশাসনিক কারণে তাদের সোমবার সকালে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের কি কারণে ক্লোজ করা হয়েছে তা আমি জানি না। তবে তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করছে। এ ব্যাপারে ঝিনাইদহের ভারপ্রাপ্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলী শেখ মিডিয়াকে জানান, সোনা উদ্ধার নয়, প্রশাসনিক কারণে এস.আই নাজমুল হকসহ চার পুলিশকে ক্লোজ করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। তদন্ত শেষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com