মঙ্গলবার, ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২১, ১১:৩৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়ন এর মানুষের হৃদয়ে স্থান করে নিয়েছেন চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী দিপু স্বরুপপুর ইউনিয়নের গরীব-দুঃখী মানুষের আস্থার ঠিকানা বশির আহম্মেদ ভারতীয় নাগরিকত্ব নিয়েই হলেন ইউপি চেয়ারম্যান, স্ত্রীও করছেন সরকারি চাকুরী উবার-পাঠাও চালকদের ধর্মঘটের ডাক খুলনায় করোনায় উপসর্গে নবনির্বাচিত ইউপি সদস্যের ইন্তেকাল ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের যুবসমাজের আইডিয়াল – বশির আহম্মেদ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নে আওয়ামী লীগের অন্যতম নেতা বশির আহম্মেদ কে চেয়ারম্যান হিসাবে দেখতে চায় এলাকাবাসী। মহেশপুরে ৪ নং স্বরুপপুর ইউনিয়নের, সর্বস্তরের মানুষের ভালোবাসার আর এক নাম  বশির আহম্মেদ। মহেশপুর সীমান্তে অবৈধভাবে বাংলাদেশে প্রবেশ করায় আটক ১১ আগামী ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে সামনে রেখে জনসংযোগে ব্যস্ত-৪নং স্বরূপপুর ইউনিয়নের নৌকা মনোনয়ন প্রত্যাশি বশির আহম্মেদ

আল- আমিনের পর ঝিনাইদহহের নতুন চমক রাসেল রানা ।

দৈনিক বাংলার মুখ ডেস্ক :
  • আপডেট সময় সোমবার, ৮ জানুয়ারী, ২০১৮
  • ৪৭০ বার পড়া হয়েছে

রাসেল রানা থাকেন ঢাকার মিরপুরে।

গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ জেলার পবাহাটী গ্রামে।সেখান থেকেই তার ক্রিকেট শুরু।

খেলেছেন বয়স ভিত্তিক খেলাও।সাফল্যেরে ঝুড়িতে রয়েছে ছোট বড় অনেক রেকর্ড। ঝিনাইদহের এমন কোন ক্রিকেট টুর্নামেন্ট নেই যেখানে রাসেল নেই।তাই ক্রিকেটের  এই নেশাকে পেশা হিসেবে নিতে চলে আসেন ঢাকায়।ক্রিকেট অনুশীলনের জন্য মিরপুর- ১ এ টেলেন্ট হান্ট ক্লাবে ভর্তি হন।

প্রায় তিন বছর যাবৎ সেখানেই ক্রিকেটের অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন।সেই সুবাদে আসন্ন ত্রিদেশীয় সিরিজে মাশরাফিদের প্রস্তুতি ম্যাচে মাঠে আসেন রাসেল।

মাশরাফিদের প্রস্তুতি ম্যাচে কে এই রাসেল? ছোট বেলা থেকেই দুরন্ত রাসেল রানা। স্বপ্ন একদিন দেশের বড় ক্রিকেটার হবেন।লাল সবুজের জার্সি গায়ে লড়বেন দেশের হয়ে।আর এই স্বপ্ন পূরনের জন্য হাজারো কষ্ট সয়ে  নিয়মিত ক্রিকেট অনুশীলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

যেহেতু এই ম্যাচটি তেমন গুরুত্বপূর্ণ নয় তাই এক জনের বিপরিতে অন্য  যে কো খেলোয়াড় ফিল্ডিং করতে পারেন।আর সেই ফিল্ডিং করার সুযোগটি পেয়ে যান রাসেল।মাশরাফির সবুজ দলের বিপক্ষে সাকিবের লাল দলের হয়ে শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত ফিল্ডিং করেন তিনি। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সংজ্ঞে ম্যাচ খেলা তো দুরের কথা দেখা করার সুযোগ পায় না অনেকেই। সেদিক দিয়ে রাসেল অনেক ভাগ্যবান দেখা নয় একবারে ম্যাচ খেলার সুযোগ পেয়ে গেলেন।

শুধু তাই নয় দুর্দান্ত ফিল্ডিং করে জয় করেছেন মাহমুদউল্লাহ ও বিজয়ের মন। অবশ্য সেটা রাসেলের ফিল্ডিং করার সময় বুঝা যাচ্ছিলো। বিদ্যুৎ গতিতে রাসেল যখন দৌড়িয়ে যাচ্ছিলেন তখন মাহমুদউল্লাহ চিৎকার করে বলছিলেন,সাবাস ভাইয়া ভালো হচ্ছে সাবাস সাবাস।আর বিজয় উইকেটকিপার থেকে দু’হাত উচু করে হাত তালি দিচ্ছিলেন।

প্রথমবার জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের সংজ্ঞে খেলার আনন্দ কেমন জানতে চাওয়া হলে রাসেল  বলেন,অনেক ভালো লাগছিলো এটা সত্যিই আমার জীবনে একটা অনেক বড় পাওয়া। দুর্দান্ত ফিল্ডিং করেছেন খেলা শেষে কোন খেলোয়াড় কিছু বলেছি কি?এমন প্রশ্নের জবাবে রাসেল আরো বলেন, হ্যাঁ সবাই আমার ফিল্ডিং দেখে অনেক খুশি।মাহমুদউল্লাহ ভাই আমাকে বলেছে আপনি অনেক ভালো ফিল্ডিং করেছেন যার জন্য আমাদের অনেক গুলা রান সেভ হয়েছে।আপনার ফিটনেস অনেক ভালো অনেক বড় ক্রিকেটার হবেন খেলা ছেড়েন না।

এতো বড় প্রশংসা পাওয়ার পর রাসেল জানালেন, বাইরে থেকে যত কঠিন মনে হয় আসলে ততটা কঠিন না এখানে খেলা।শুধু নিজের উপর বিশ্বাস থাকলেই হবে যে  আমি পারবো। শুধু রাসেল নয়, দেশে অনেক প্রতিভাবান ক্রিকেটার আছে যারা একটু সুযোগ পেলে হয়তো একদিন মাশরাফি, তামিম ও সাকিবের মত নাম করা ক্রিকেটার হবেন

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো পোস্ট
© All rights reserved © 2021 dainikbanglarmukh
Theme Developed BY ThemesBazar.Com