মঙ্গলবার, ০২ মার্চ ২০২১, ০৮:৫৫ অপরাহ্ন

নোটিশ :
সারাদেশের প্রতিটি জেলা ও উপজেলায় সংবাদকর্মী নিয়োগ চলছে। বিস্তারিত জানতে কল করুন : ০১৯২৭৬১৬৪৬৩
সংবাদ শিরোনাম :
থাইল্যান্ডে যথাযথ মর্যাদায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত ‘বিশ্ব নিরাপদ খাদ্য দিবস’ উপলক্ষে আজ ঝিনাইদহে “ফুড সেফটি মুভমেন্ট” ঝিনাইদহ জেলা শাখার নির্বাহী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। দৌলৎগঞ্জ-মাজদিয়া স্থলবন্দর জীবননগর বাসীর প্রাণের দাবী  ঝিনাইদহ সদর থানার সেবার মান বৃদ্ধিতে হেল্প ডেস্ক’র উদ্বোধন সাধুহাটীতে খালকাটার উদ্বোধন করলেন জেলা প্রশাসক সরোজ নাথ নারী মুক্তিযোদ্ধাদের সম্মাননা দিল ন্যাশনাল এফ এফ ফাউন্ডেশন বিশিষ্ট সাংবাদিক সরোয়ার হোসেন মহেশপুর পৌর মেয়র স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লড়বেন। উদয়ন এর উদ্যোগে শীতবস্ত্র বিতরণ। আরজেএফ’র উদ্যোগে বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের চেয়ারম্যানকে বিদায় সংবর্ধনা বাংলাদেশ প্রেস কাউন্সিলের উদ্যোগে সাংবাদিক প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
টানা ৪২ দিন কথা বলেন না যে গ্রামের মানুষ

টানা ৪২ দিন কথা বলেন না যে গ্রামের মানুষ

বাংলার মুখ ডেক্স:

হিমাচল প্রদেশের মানালির কুলু জেলার গোশাল গ্রাম। এই গ্রামের বাসিন্দারা জানুয়ারি মাসের ১৪ তারিখ থেকে ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখ পর্যন্ত কোনও কথা বলেন না।

গোশাল ছাড়াও বুরুয়া, শানাগ ও কুলাং গ্রামেও এই প্রথা রয়েছে।

হিমাচল প্রদেশের মাঝাচ, পালচান, কোঠি, রুয়ার গ্রামের বাসিন্দারাও বিশ্বাস করেন এই ৪২ দিন নীরবতা পালনের বিষয়টি।

সোলাং ও রুয়ার মতো গ্রামে আবার চুপ থাকার পাশাপাশি বন্ধ থাকে কৃষিকাজও।

মাঘ মাসে মকর সংক্রান্তির সময় থেকে এই রীতি চালু হয়। কিন্তু ৪২ দিন এক টানা কেন চুপ করে থাকেন এই গ্রামগুলোর বাসিন্দারা?

কারও মতে, এই সময় গভীর ধ্যান করে ঈশ্বর স্বর্গের পথে ফিরে যান। স্বর্গে যাওয়ার পথে অসুবিধার মুখে যাতে না পড়েন, তাই নাকি এই চল। তবে এই নিয়ে পৌরাণিক মতও রয়েছে।

বিপাশা নদীর পাশে ঋষি গৌতম তপস্যা করছিলেন। তার তপস্যা যাতে ভঙ্গ না হয়, তাই নাকি এই ব্যবস্থা। বহু প্রাচীন একটি মন্দিরও রয়েছে এখানে। মকর সংক্রান্তির দিন লোহ্রিতে পূজার্চনার পর বন্ধ করে দেওয়া হয় মন্দির।

গৌতম ঋষি ছাড়াও বেদব্যাস ও কাঞ্চন নাগের মূর্তিও রয়েছে এই মন্দিরে। মানালির গোশাল গ্রামের এই মন্দিরটি এই সময়ে পর্যটকের জন্য বন্ধ থাকে। মন্দিরে কোনওরকম পূজাও করা হয় না, সংবাদ সংস্থাকে এমনটাই জানান পুরোহিত।

ফেব্রুয়ারির ২৫ তারিখের পর মন্দির খোলে। তা নিয়েও রয়েছে একটি মিথ। সেই সময়ে একটা ফুল যদি পড়ে থাকে মন্দিরের মেঝেতে, তা হলে তা গ্রামগুলির জন্য শুভ বলে মনে করা হয়। আর তা যদি না হয়?

যদি কয়লার টুকরো পড়ে থাকে, ধরে নেওয়া হয় গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের মতো দুর্ঘটনা ঘটতে পারে পাঁচ দিনের মধ্যেই।

বৈজ্ঞানিক মত বলছে, বরফ ঢাকা এই জায়গাগুলোতে রোদের আভাস মিললে খোলে মন্দির। এতটাই বেশি বরফ পড়ে সেখানে যে, শীতকালে কর্মক্ষমতাই থাকে না স্থানীয় বাসিন্দাদের। বেশিরভাগ সময়টাই ক্লান্ত লাগে। তাই কথা বলার বা বাড়ি থেকে বেরোনোর সুযোগ প্রায় মেলে না।

তবে চুপ করে থাকলেও গ্রামের মানুষ এই সময়ে  হেডফোনে গান শোনেন, বেড়াতে যান, বাড়ির কাজ করেন। কোনও পর্যটককেও কথা বলার সুযোগ দেন না গ্রামের বাসিন্দারা।

 

[প্রিয় পাঠক, আপনিও দৈনিক বাংলার মুখ অনলাইনের অংশ হয়ে উঠুন। জাতীয় ,রাজনীতি,  বিনোদন ,লাইফস্টাইলবিষয়ক ফ্যাশন, স্বাস্থ্য, ভ্রমণ, নারী, ক্যারিয়ার, পরামর্শ, এখন আমি কী করব, খাবার, রূপচর্চা ও ঘরোয়া টিপস নিয়ে লিখুন এবং সংশ্লিষ্ট বিষয়ে ছবিসহ মেইল করুন- dainikbanglarmukh@gmail.com-এ ঠিকানায়। লেখা আপনার নামে প্রকাশ করা হবে।

দয়া করে নিউজটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

© All rights reserved © 2020 DainikBanglarMukh.Com
Desing & Developed BY ThemesBazar.Com